কলকাতা হেরাল্ড ডট কম ডেস্ক: বিশ্বজুড়ে তরুণদের কণ্ঠস্বর কতটা গুরুত্ব পায়? শিক্ষা, কর্মসংস্থান, নাগরিক স্বাধীনতা, রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং নির্বাচনী ব্যবস্থায় যুবকদের অংশগ্রহণ কতটা কার্যকর? এই প্রশ্নগুলির উত্তর খুঁজতেই তৈরি হয়েছে Global Youth Participation Index (GYPI)। এই সূচক শুধুমাত্র একটি র্যাঙ্কিং নয়, বরং প্রতিটি দেশ তরুণ প্রজন্মকে কতটা ক্ষমতায়ন করছে তার একটি সামগ্রিক চিত্র তুলে ধরে।
সূচকটি চারটি গুরুত্বপূর্ণ মাত্রা বিবেচনা করে মূল্যায়ন করে। এগুলি হল Socio Economic, Civic Space, Political Affairs এবং Elections। প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রাপ্ত স্কোরের ভিত্তিতে নির্ধারিত হয় একটি দেশের Overall Score। এই মূল্যায়নের মাধ্যমে বোঝা যায়, কোন দেশে তরুণদের জন্য সুযোগ বেশি, কোথায় মত প্রকাশের স্বাধীনতা শক্তিশালী এবং কোথায় রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক অংশগ্রহণের পরিবেশ তুলনামূলকভাবে উন্নত।
প্রকাশিত সর্বশেষ ranking নরওয়ে এবং নিউজিল্যান্ড যৌথভাবে শীর্ষস্থান দখল করেছে। তাদের পরেই রয়েছে জার্মানি, ডেনমার্ক, সুইডেন, নেদারল্যান্ডস, ফিনল্যান্ড, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া এবং সুইজারল্যান্ড। লক্ষ্য করার মতো বিষয় হল, প্রথম দশে ইউরোপের দেশগুলিরই স্পষ্ট আধিপত্য দেখা যায়।
এই ইনফোগ্রাফিকে Ranking Table এবং Comparative Bar Graph এর মাধ্যমে শীর্ষ ১০ দেশের স্কোর সহজভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। গবেষক, নীতিনির্ধারক, শিক্ষার্থী কিংবা সাধারণ পাঠক, সবাই খুব দ্রুত বুঝতে পারবেন কোন দেশ কোন ক্ষেত্রে এগিয়ে এবং যুব অংশগ্রহণের বৈশ্বিক চিত্র আজ কোথায় দাঁড়িয়ে আছে।


